তর্কটা ভালো – এবং চলতে থাকুক।।
একলা – বড্ড ভয় লাগে – নিঃসঙ্গ লাগে –
বরং – তর্কটা ভালো – চলতে থাকুক।
একটা তবু সঙ্গী হবে –
বেশ একটু – ওম ঢেলে দেবে মোড়কে মোড়কে -।।
অচল তো ছোট থেকে বড়,
কয়েন থেকে টাকা ।
অচল তো বৃদ্ধরা – কবেই –
অচল তো প্রাচীনপন্থী আমরা সবাই ।
এই যে এতো বড় বাজার –
সবই কি বিক্রি হয় ?
কিছুই কি পড়ে থাকে না? অবশিষ্ট ? উদ্বৃত্ত?
এখন তো রেস্টুরেন্টে মাংসও অচল –
তার চেয়ে বরং –
তর্কটা চলতে থাক ।
বেশ একটু নাটুকে তাপ
– আরও উত্তপ্ত করে তোলো –
গ্লোবাল ওয়ার্মিং।
সমীহ করার মতো বারিটোন ভয়েস –
বেশ – তর্কটা চলতে থাকুক।
এটাকেও জিডিপি তে নেবে !?
না – না –
তর্কটা ভালো ।। এবং চলতে থাকুক।।
“রথযাত্রা, লোকারণ্য, মহা ধুমধাম,
ভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম।
পথ ভাবে ‘আমি দেব’, রথ ভাবে ‘আমি’,
মূর্তি ভাবে ‘আমি দেব’—হাসে অন্তর্যামী।”
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(প্রণাম তোমায় রবি ঠাকুর )।
যাত্রা কি চলে গেছে ?
অতীত ?
না কি সে এখনও হয় ?
সেই নাটমন্দির ঘিরে –
জামদানি ঝিলমিল অন্দরমহল –
চিকন সিল্ক – জমিদারি আভিজাত্য –
অথবা ক্লিষ্ট শীর্ণ চোখে,
একদিনের বিনোদন –
উপচে এসে রাস্তায়।
রাস্তার উদ্দেশ্য কি ?-
উদ্ধত মন বলে পৈতৃক।
হোক – তবে যাত্রা দর্শন –
— “যাত্রায় যাত্রা”।

লাবণ্যবতী নদীটির ভাষা বুঝতে বুঝতে
চোখ মুছি –
কৃষ্ণকলি বয়ে যায় – কবিতায় – !
সবুজ প্রেমের বাস্প –
বৃষ্টির মতো – তোমার গায়ের রং –
স্বপ্নের মতো – নীল –
পেলব পাখনা।
অরন্ধন শেষ হলে পর – ঠান্ডা কিছু মহুল গন্ধের মতো –
সুর আসে -।
উজান শেষে – কাছিতে পড়ে সে টান –
কর্কশ শব্দে – ভাটির আর্তনাদ।
শেষ কিছু স্ফুলিঙ্গ আর্তনাদ করে ওঠে
এবার ফিরতে হবে – বোঝে মন –
সূর্য গোটায় রং।
গল্প লেখা বিকেলগুলো সব –
নেমে যায় – সন্ধ্যায় – কবিতায় !
সস্তায় পাওয়া একটা বিকেল, শুধু নিঃসঙ্গতার অনুরণন।
তবু নোনা জলে চোখ ধুয়ে অপেক্ষায় থাকে চাঁদ।
শীতঘুমে ছিলে বুঝি!
পড়ন্ত আলোয় ভেসে থাকে তোমার স্তব্ধতা…
জানি তুমি হারিয়ে যাবে সভ্যতার অলীক স্বপ্নে-
হয়তবা নিরুত্তাপে, এক হাজার অমাবশ্যা পেরিয়ে।
তখন সবাই ঘুম নিয়েছে চোখে।
চোখ পাহারায় নিয়ম মাফিক…
রাজপথে কবিতার লাশ বিক্রি গেছে
চশমাও পর্দা নেয় বুঝেছি।পরকীয়ায়।
কলম সৈনিক
তবুও কেমন গল্প লিখছে প্রেম।কান্না।
হারাচ্ছে কবি
চায়ের কাপে চুমু এঁকে বলে দিতে পারি
“মুখ নয় মুখোশ-মুখ সব’ই”
অভিমান জন্মান্তর মানে না …
Recent Comments