আমার সব দুঃখ, সব স্বপ্ন মুক্ত হয় না কেন ?
আমার সব স্মৃতি সব বেদনা ঝিনুক হয় না কেন ?
আমার সব চেতনা, সব তিতিক্ষা সাগর হয় না কেন –
সব প্রেম সব মাধুরী আকাশ হয় না কেন….
আমার সব ব্যর্থতা সব হতাশা মেঘ হয় না কেন ??
সব অনুরাগ সব আকাঙ্খা বাতাস হয় না কেন ৷
আমার সমস্ত আকাশ জুড়ে যে ছোট্ট তারা
আর জোনাকির রঙ ধরা নক্ষত্রও সব
ভোরের আবির হয় না কেন ?
কখনও বা ভোরের জোয়ার
ভাসিয়ে নিয়ে যায় নি কেন – সে পদ্ম কুঁড়ির
নরম লজ্জা ….
আমার ভোরের পাখিরা সব
ঘর ভাঙা ঝড় থেমে গেলে লাল শিউলি …..
অথবা বকুল গন্ধ চুরি করে না কেন ?
যতই সমস্ত আকাশ জুড়ে
মেঘ বলাকার ছবি আঁকি না কেন
তবু আমার সব আঁচড় ঘিরে
কবিতা হয় না কেন ??
Or
তার চেয়ে বরং কোনো কবিতা শোন –
সারাদিন পাড় ভাঙ্গা,
তুরতুরি নদীটির ফেনিল জিহ্বার মতো
এক ঝাঁক বলাকার –
নিরিবিলি আনাগোনা ৷৷
অথবা মিশরীয় সভ্যতায়
মৃত শবরীর ন্যায় –
নিরন্তর ভয় ধরা মমির স্তুপের মতো,
এক ঝাঁক কাব্যিক হৃদয় ৷৷
তার চেয়ে বরং একটু ঘুরে আসি,
নিল ডানার পরীর দেশে –
লাল পিয়ালী সবুজ হাসি ৷৷
তার চেয়ে বরং অনেক দিনের আলিস্যি ভেজা –
একরাশ হাই তুলি ৷৷
If this Bengali Poetry(Bangla Kobita) not came properly……
In PDF View
Or
Tar chye barang
Want to subscribe?
Discussion board is open. Join at….
http://www.blog.amarbanglakobita.com/viewtopic.php?f=5&t=8
আমাকে প্রেমিক নাও ভাবতে পারো।
হিমাঙ্ক তাপ জড়তা ছড়িয়ে দিলে
দ্বিধা বিভক্ত হাত গোলাপ অঞ্জলির স্পর্ধায়
নির্লজ্জ হতে পারেনি ।
অথচ কলেজ ফেরা পথ চুপিসারে রেখেছিল অপেক্ষায়
আমার চৈত্রমাস ।
আর ফাগুনের আগুন রেখে তোমার উচ্ছল ঢেউ
বাঁধ ভেঙ্গে দৈবাৎ দাবানল হয়ে গেলে
অজস্র কিট-পতঙ্গ ছুঁতে চায় জৈবিক সার্থকতা,
তখন নিতান্তই কাব্যিক বেদনায় মুখ ঢেকে
সমস্ত ইচ্ছে-ডানা আমার চিলেকোঠায় নির্বাসিত ।
অতঃপর রাত ঘুম জমে নির্দ্বিধায় দেওয়ালে দেওয়ালে
কোনারকীয় ভাস্কর্য হয়ে ওঠে ।
এই সব পাতা যা একটু গোচর পেলে
মুহূর্তকালে ফুল হয়ে যেত ,
তুমি পড়েও দেখনি ।
যেমন দেখনি একবারও বেবাক জলতরঙ্গে অদ্ভুত
আজ কেমন করে দিঘী নাস্তানাবুদ
চাঁদের ছায়াটুকুতেই !!
তারপর ?
তারপর…
লাল নীল আলোয় কেমন হাসতে হাসতেই
রেণু মিশে গেল অন্য পরাগে ।
আমি আমাকে খুঁজে পেলাম হিরোশিমা’র ধ্বংস স্তূপে ।
এখনও তার আরোপিত প্রভাব
মুছা গেল না !
সুখের মতো এক বোধ কাজ করে
তাই ভুলে যাই –
আমি নই আমি নই
আমার আমিত্ব কাজ করে
সুখের মতো এক ঘুম ঘোরে |
এই পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন বটবৃক্ষ –
অজস্র মায়ার মতো – আমিত্ব-হীন |
যদি – ব্রহ্মাণ্ডে কোথাও – কখনো –
এক অভিকর্ষ-হীন –
বলহীন – আকৃতিহীন – আমিত্বহীন
শুধু এক অস্তিত্ব – শুধু শক্তি –
আমি জানি – আমিই সেই ||
তবু সুখের মতো এক আমিত্ব গড়ে তোলে |
আমিই সেই বৃদ্ধ –
জরা -মৃত্যু – ভয় – অতি দীন বিদীর্ণ চিত্ত –
আমিই সেই নারী –
জন্ম – মৃত্যু – সৃষ্টি – ধ্বংস
সেই ঈশ্বরী |
আমিই সেই হ্যামিল্টনের মায়া
আমিই সেই আদুরে সোহাগী হাওয়া |
আমিই সেই ভক্তি –
আমি জানি – আমিই সেই
আমিত্বহীন শক্তি ||
তবু কেন – কেন এক
সুখের মতো বোধ কাজ করে ??
Recent Comments